শুক্রবার , সেপ্টেম্বর ১৮ ২০২০
Breaking News

মঠবাড়িয়ার বিএনপি নেতার সেই বক্তব্য নিয়ে যত মন্তব্য…

অনলাইন ডেস্ক : মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম নিজামুল কবির দলীয় প্রধান খালেদা জিয়াকে কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এ কারণে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার দলীয় পদ স্থগিত রাখা হয়েছে। এ খবর প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে। দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত ওই সংবাদে পাঠকরা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত দশটা পর্যন্ত সেখানে যেসব মন্তব্য পাঠকরা করেছেন সেগুলো প্রকাশিত হচ্ছে মঠবাড়িয়া প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য :

Mansoor Ahmed লিখেছেন, দেরিতে হলেও এই ভদ্রলোকের অন্তত বোধোদয় হয়েছে। উনি জাতির জনককে স্বীকৃতি দিয়েছেন। ভুয়া জন্মদিন পালন না করারই শুধু আহ্বান জানাননি, মিলাদ পড়ে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করতেও অনুরোধ জানিয়েছেন। আমার বিশ্বাস বিএনপির মধ্যে অনেক নেতাকর্মী আছেন যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু বিএনপির পাক-প্রীতি নীতির কারণে তাঁরা মুখে কুলুপ এঁটে আছেন। আশা করি উনার দেখাদেখি আরও অনেকে উদ্বুদ্ধ হবেন। Mir Md Mofazzal Hossain লিখেছেন, দেশের রাজনীতি এখন আর ‘রাজনীতি’ নেই। প্রকৃত ভদ্রলোকরা এটাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন, আর বদমায়েশ-লুটেরা গোছের লোকেরা এটাকে সবচেয়ে বড় ‘লাভজনক ব্যবসা’ ভেবে এতে যোগ দিয়ে এটাকে আরও কদর্য-ঘৃণার্হ করে ফেলছে, যার কারণে সাধারণ মানুষ রাজনীতিকদের সাথে সাথে রাজনীতিকে দিনে দিনে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছেন।

Mir Md Mofazzal Hossain লিখেছেন, বিএনপি দলটির ভবিষ্যত আসলে কী? তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে না, তারা রাজনীতি করে নিজের লাভের আশায়। ভুল, ভণ্ডামি কাণ্ড ও মিথ্যাচারের আবর্ত থেকে দলটির বেরিয়ে আসার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না!

Mir Md Mofazzal Hossain লিখেছেন, যে যত বেশি মিথ্যে বলবে, সে তত বড় জাতীয়তাবাদী নেতা!!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন লিখেছেন, সেই পুরনো বিএনপি, সেই খালেদা, সেই তারেক, সেই লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, রাজাকার/জঙ্গিপ্রেমী লোকগুলো আবারও ক্ষমতায় এলে যে সেই পুরনো হাওয়া ভবনের বাংলাদেশই আবার দেখতে হবে!! পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাবে দেশ, তছনছ হবে গণতন্ত্র-সেটা কিন্ত বাংলার মানুষ বুঝে ফেলেছে!!

Shubhro Ahmed লিখেছেন, অন্তত একজন বিএনপি নেতা পাওয়া গেল যিনি দেরিতে হলেও সত্যটি অনুধাবন করেছেন। নাকি দলবদলের পাঁয়তারা?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য একজন লিখেছেন,  এদেশে ভালো কিছু বললে সবাই শালা বলে!

অনামিকা বৃষ্টি লিখেছেন, পাওয়ার কথা ছিল পুরস্কার, মিলল তিরস্কার!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন লিখেছেন, বিএনপির প্রতি চারিদিকে এতসব নিপিড়ন নির্যাতনের ক্ষত নিয়ে ওনার অত্যধিক উদারতা দেখে জাতি সত্যিই আজ বিস্মিত!

Rezwanul Haque লিখেছেন, উনি কি মিথ্যা বলেছেন?

Kabir Alamgir লিখেছেন, হাজারো অপ-কর্ম, কু-কর্ম করলেও পদ স্থগিত করা হয় না কিন্তু উনি এমন একটা কাজ করলেন যার জন্য তাকে ভদ্র রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসাবে পরিচিতি দেওয়া যায়; অথচ তার জন্যই কিনা পদ স্থগিত করা হলো! হায়রে রাজনীতি!

Moynul লিখেছেন, BNP will multiply their massacre 1000 times more than what they did during 2001-2006 if they get power again in any chance. Issuing the show cause to one of its member is simply a message in advance to the other members of the party.

Monir Mama লিখেছেন, দুইমুখো সাপ থেকে সকল দলকে সচেতন থাকতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন লিখেছেন, উনি যা বলেছেন তা ঠিক আর চিরন্তন সত্যি। আর এটা মেনেই বিএনপিকে রাজনীতি করা উচিত। একজন বিএনপি সমর্থক হিসাবে আমিও এটাই মনে করি আর বুকে ধারণ করি। আর এটা নতুন প্রজন্মের অধিকাংশই মনে করে। এটা করলেই প্রমাণিত হতো বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। হয়তো ২টা ভোট কমত কিন্তু ১০০ ভোট বাড়ত আমি মনে করি। মুজিব বা জিয়াকে তাদের প্রাপ্ত সন্মানটুকু দেয়া উচিত সবার যার যার জায়গা থেকে। আওয়ামী লীগ জিয়াকে স্বীকৃতি দিলে বিএনপি মুজিবকে স্বীকৃতি দিবে এটা না ভেবে কোনো একজন আগেই তার বড় মনমানসিকতার পরিচয় দেওয়া উচিত। মুজিব জিয়ার ভুল কিছুটা হয়তোবা আছে কিন্তু দেশের জন্য অবদান অনেক বেশি। আমরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি করে করে মাঝে মাঝে বিবেকহীন হয়ে পড়ি যা ঠিক না। মনে রাখতে হবে বিএনপি নতুন যুগের দল আর আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের। ৫/১০টা নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়ের সাথে কথা বললেই এই কথার সত্যাতা পাওয়া যাবে।

Md. Golam mamun Chy লিখেছেন, ফ্রুটিকা খেয়ে মিটিংয়ে গিয়েছিলেন! আসল সত্য তো বেরিয়ে আসবেই! তবে উনি যদিও দলের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলেছেন তবুও উনি নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে পরিষ্কার রাখার জন্য সত্য কথাটি বলে ফেলেছেন। কারণ ঐ একটি সত্য একদিন বলতেই হবে! ভুয়া জন্মদিন পালন না করাই উত্তম। পুরো একটি পরিবারের মৃত্যু দিবসে পার্লার থেকে সেজে বেগম জিয়া কিভাবে হাসিমুখে পারতেন ঐ ভুয়া জন্মদিন পালন করতে? বিবেকবান কোনো মানুষ এই কাজটি করতে পারে না। এটলিস্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিনে আওয়ামী লীগের কেউ হাসিমুখে কেক কাটা বা অনুষ্ঠান করে না। এটিই তফাৎ!

Zaman লিখেছেন, ভাইরে এই অনুভূতিই যদি আপনার থাকে তাহলে বিএনপি কেন করতে গেলেন ? বর্তমান আওয়ামী লীগ খারাপ হলে দরকার হলে আওয়ামী লীগ করবেন না।

Probal লিখেছেন, বেগম জিয়া ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ই আগস্টকে তার ভুয়া জম্নদিন পালন করে আসছে। যদিও বেগম জিয়ার পাসপোর্ট (BB175085)-এ জন্মতারিখ হিসাবে ৫ই আগস্ট ১৯৪৬ বলা আছে, জন্মস্থান : দিনাজপুর। এ ছাড়া তার আরও ৫টি জন্মতারিখ পাওয়া যায়। মূলত বঙ্গবন্ধুর হত্যার দিনে স্বাধীনতাবিরোধীদেরা উৎসব করতে চায়, তার জন্যই বেগম জিয়া এই মিথ্যা জন্মদিনের সৃষ্টি করেছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম জিয়া তার জীবনের ৫০ বছর পার করে জানালেন, তার জন্মদিন বঙ্গবন্ধুর হত্যার দিবস। অথচ এই বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার পর জিয়া ও বেগম জিয়ার দাম্পত্য জীবনকে জোড়া লাগিয়েছিলেন, যখন তাদের দুই পরিবারই ব্যর্থ্য হয়েছিল তাদের সংসার জোড়া লাগাতে। বঙ্গবন্ধু যদি সেদিন যদি এই কাজ না করতেন, তবে বেগম খালেদা জিয়া তার নামের শেষে আজ এই জিয়া পদবি লিখতে পারতেন কি না সন্দেহ। কি নিষ্ঠুর এই আচরণ জাতির পিতার প্রতি!

Wahid Ahmed লিখেছেন, Probal you are right the way Bangabondhu solved the problem between…, I am the witness.

ABDUL MAJID QUAZI লিখেছেন, যারা কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন তারা খালেদা জিয়ার প্রকৃত জন্মদিন জানেন কি? বিতর্ক যখন আছে বিএনপির সকল তৃণমূলের নেতার উচিত সত্য জানার চেষ্টা করা। বিএনপি দলের জন্ম ১৯৭৫ সালের পর। বাংলাদেশের জন্মদাতা নেতা বঙ্গবন্ধু। তার হত্যাকাণ্ডের পর। বাংলাদেশের জন্ম না হলে, বিএনপির জন্ম হতো না। অথচ তার মৃত্যুদিবসকে উপহাস করে জন্মদিন পালন করা কত বড় গর্হিত কাজ, তা বিবেকহীন।

Asif ul Huq লিখেছেন, একজন ৬০-৬৫ বছরের বৃদ্ধার এমন ঘটা করে জন্মদিন পালন করার পুরো বিষয়টিই তো দৃষ্টিকটু। এতসব পাগলদের ভিড়ে দুএকজন সুস্থ মানুষ দেখা যাচ্ছে এটাই যা আশার কথা।

Sagar লিখেছেন, This is BNP , and their aggressive policy to the founder of Bangladesh (BBSMR).

Md.Ali Haider লিখেছেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছিল বলেই বিএনপির জন্ম হয়েছিল। এর মতো আরও যত নেতা বিএনপিতে আছে সবাইকে বহিষ্কার করা উচিত।

aziz mohammed mohsin লিখেছেন, তার প্রাণে আ.লীগ, বের হতে চায় বিএনপি থেকে। উচ্ছিষ্ট মিলছে না, মনোবাসনা আ.লীগে যোগ দেবার। পরবর্তী নির্বাচনে ভোট ভোট ছিনতাই হবে। এটা উনি জানেন বলেই এমন কর্ম করেছেন। বহিষ্কারের পর উনি আ.লীগে যোগ দেবেন বলেই তার এই দুর্দশা।

Wahid Ahmed লিখেছেন, A.K.M Nizamul Kabir you did the right. There ate many person if Khaleda Zia should have shown some little respect To Bangabondhu not cutting a 75 lbs cake there are many person who will support her.Any party I do but not BNP if K.Zia declare that from this year she will avoid cutting cake I with my all supporters will vote for her.

 

Comments

comments

Check Also

সাংবাদিক জিল্লুর রহমানের রোগ মুক্তি কামনায় মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির দোয়া অনুষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সাংবাদিক মোঃ জিল্লুর রহমান এর আসু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান …

মঠবাড়িয়ায় সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যানকে হত্যা চেষ্টা মামলায় দু‘মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামী

স্টাফ রিপোর্টার : মাদক বিক্রিতে বাঁধা দেয়ায় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!