মঠবাড়িয়াবুধবার , ২৯ জানুয়ারি ২০২০
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস-ঐতিহ্য
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. প্রতিবেদন
  6. ফটো গ্যালারি
  7. বিচিত্র খবর
  8. বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভিডিও গ্যালারি
  11. মঠবাড়িয়ার খবর
  12. মতামত
  13. মুক্তিযুদ্ধ
  14. রাজনৈতিক খবর
  15. শিক্ষাঙ্গন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেড়েই চলেছে মঠবাড়িয়ার কালীপ্রতিমার উচ্চতা : এবারে ৯০ ফুট

Mathbariaprotidin
জানুয়ারি ২৯, ২০২০ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো. শাহাদাৎ হোসেন : পিরোজপুররের মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর মঠবাড়িয়া গ্রামের নির্মল চাঁদ ঠাকুরের বাড়িতে ৯০ ফুট উচ্চতার বড়দা কালীপ্রতিমার পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সরস্বতী পূজার আগের রাত থেকে ৫ দিনব্যাপী এ বড়দা কালীপূজা ও ও সরস্বতী মায়ের উৎসব ঘিরে দেশের দূর দূরান্ত হতে লক্ষাধিক মানুষের পদচারণা ঘটবে।
বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া এ বিশালাকৃতির কালীপ্রতিমার পূজা অনুষ্ঠান আগামী রোববার শেষ হবে।
মন্দিরের সেবায়েত শ্রী সন্তোষ মিস্ত্রী জানান, ৩০ বছর ধরে প্রতিবছর সরস্বতী পূজার একদিন আগে এ ঐতিহ্যবাহী কালীপূজা শুরু হয়ে টানা ৫ দিন উৎসব চলে। ১৯৯০ সালে তিন ফুট উচ্চতার কালীপ্রতিমা দিয়ে এ মন্দির প্রাঙ্গণে পূজা শুরু হয়। প্রতিবছর প্রতিমার উচ্চতা বাড়তে বাড়তে এবার ৯০ ফুটের প্রতিমা নির্মিত হয়। এ ছাড়া ৯৫ ফুট লম্বা মহাদেব প্রতিমাও নির্মাণ করা হয়েছে। এ বড়দা কালীপূজা উৎসব ঘিরে উৎসবস্থলে মেলাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কালীপূজার আয়োজক হরি চাঁদ ঠাকুর মন্দিরের ধামকর্তা শ্রী নির্মল চন্দ্র চাঁদ ঠাকুর জানান, ৩০ বছর ধরে এ পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একবার গ্রামে জলবসন্ত মহামারী আকারে দেখা দেয়। এ সময় গাঁয়ের মানুষ এ রোগে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানিও ঘটে। হরি মন্দিরের সেবায়েত স্বপ্নে কালীপূজা দেওয়ার জন্য নির্দেশ পান। এরপর কালীপূজার আয়োজন করা হয়। এ পূজার প্রসাদ খেয়ে সেদিন জলবসন্তের মহামারী থেকে গ্রামবাসী আরোগ্য লাভ করেন। এরপর থেকে প্রতিবছর গাঁয়ের মানুষের সকল বালা মুছিবত রোগ শোক দূর করতে এ কালীপূজার আয়োজন চলে আসছে। তিনি আরও জানান, এ পূজায় ভক্তরা সহযোগিতা করে ৫ দিনের উৎসব পালন করে। প্রতিবছর প্রতিমা আকারে বড় করা হয়। এবার ৯০ ফুট উচ্চতার কালীপ্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৮৪ ফুট। পূজায় সংকটাপন্ন মানুষের নানা মানত দিয়েই এ আয়োজন চলছে। সপ্তাহ ধরে এখানে অব্যাহতভাবে কবিগান, মন্ত্রপাঠ ও শ্যামা সঙ্গীত অনুষ্ঠানসহ প্রসাদ বিতরণ করা হয়। তিনি আরও জানান ৩০ জন গুণরাজ (প্রতিমা শিল্পী) আড়াই মাস ধরে এ বিশালাকৃতির প্রতিমা নির্মাণ করেছেন। এতে ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। এ কালীপ্রতিমা বিশালাকৃতির প্রতিমা কেবল একটি সম্প্রদায়ের উৎসব হিসেবে নয় অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষরাও এ মাঙ্গলিক উৎসবে সমবেত হয়। জীবনের যাবতীয় সংকট থেকে মুক্তির আশায় এখানে সবাই আসে।
প্রতিমার প্রধান কারিগর বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ভাস্কর নিত্যানন্দ হালদার জানান, তিনি গত ১৭ বছর ধরে প্রতিবছর এখানে এ কালীপ্রতিমা নির্মাণ করে আসছেন। এবছর তিনি ৯০ ফুট উচ্চতার প্রতিমা নির্মাণ করেছেন। তিনি আরও বলেন, এশিয়ার মধ্যে এত বড় উচ্চতার কালী প্রতিমার পূজার আয়োজন করা হয় কিনা আমাদের জানানেই। এ প্রতিমা নির্মাণে বাঁশ, নলের কঞ্চি, মাটি, কাঠের গুঁড়ি ও খড় ব্যবহার করা হয়েছে ।
মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান বলেন, এতবড় কালীপ্রতিমা আর কোথাও আছে কি না আমার জানা নেই। সম্ভবত এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কালীপ্রতিমা। এ পূজা ঘিরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। এছাড়া এ প্রতিমা মানুষ দর্শনের জন্য আসছে বিদেশিরাও।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!