মঠবাড়িয়াসোমবার , ১২ জুন ২০১৭
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস-ঐতিহ্য
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. প্রতিবেদন
  6. ফটো গ্যালারি
  7. বিচিত্র খবর
  8. বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভিডিও গ্যালারি
  11. মঠবাড়িয়ার খবর
  12. মতামত
  13. মুক্তিযুদ্ধ
  14. রাজনৈতিক খবর
  15. শিক্ষাঙ্গন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারায়ণগঞ্জে জেএমবির অর্থদাতা মঠবাড়িয়ার ইমরান গ্রেপ্তার

Mathbariaprotidin
জুন ১২, ২০১৭ ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট : নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবিকে অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগে গার্মেন্ট কারখানার মালিক ইমরান আহমেদকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তার বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের বুড়িরচর গ্রামে। রবিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে ও তার গাড়িচালক শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সকালে র‌্যাবের কারওয়ান বাজার ক্যাম্পে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাবের ভাষ্য, ইমরান কারাবন্দি জঙ্গিদের ছাড়িয়ে আনতে পরিবারগুলোকে অর্থ সহায়তা ও জেএমবি সদস্যদের পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তা দেওয়ার কাজও করতেন। তার বাসায় আশ্রয় নিত জেএমবি সদস্যরা।
ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ইমরান আহমেদ নব্য জেএমবির তামীম-সারোয়ার গ্রুপের কেন্দ্রীয় দাওয়াত বিষয়ক কমিটির শূরা সদস্য। একই সঙ্গে নব্য জেএমবির ঢাকা মহানগর পশ্চিমের দাওয়াতি আমির। তিনি প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। গার্মেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি নব্য জেএমবির অর্থ ও অস্ত্রের জোগানদাতা তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পর্কে এ ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।
গ্রেপ্তারকৃত ইমরান নারায়ণগঞ্জের জিমটেক্স নামের একটি গার্মেন্টের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ঢাকার মহাখালীতে তার বাসা রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের বুড়িরচর গ্রামে। গত এপ্রিলে ইমরান বগুডার সোনাতলার একটি বাড়িতে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে নব্য জেএমবির শূরা বোর্ডের প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে পান। ওই বাড়ির মালিক শায়খ এনামুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমরান জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার স্বীকারোক্তি দিয়ে র‌্যাবকে জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় দাওয়াত বিষয়ক কমিটির শূরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগর পশ্চিমের (গুলশান-বনানী-মিরপুর) দাওয়াতি শাখার আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা মহানগর ছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বগুড়া, কুমিল্লা, কক্সবাজার, রাজশাহীসহ ১০টি জেলার দাওয়াতি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বর্তমানে গাজীপুর জেলায় অবস্থিত জিমটেক্স লিংকেস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
র‌্যাব জানায়, ২০১২ সালে তার জঙ্গি বন্ধু ওবায়েদের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে শুরু করেন ইমরান আহমেদ। সে সময় আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (আনসার আল ইসলাম) তাত্ত্বিক নেতা জসিম উদ্দিন রাহমানির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এরপর জসিম উদ্দিন রাহমানি তাকে জঙ্গিবাদে প্রবেশ করার ‘গ্রিন কার্ড’ দেয়। এ ছাড়া জসিম উদ্দিন রাহমানির মাধ্যমে মিরপুর-১০-এ মাওলানা আব্দুল হাকিমের সঙ্গেও ইমরান আহমেদের পরিচয় হয়। পরে মাওলানা হাকিমের মাধ্যমে নব্য জেএমবির সারোয়ার-তামীম গ্রুপে যোগ দেন তিনি। এরপর নন্দীপাড়া কোরআন-সুন্নাহ একাডেমির মসজিদের খতিব শায়েখ আরিফ হোসেনের সঙ্গে সখ্য হয় তার। এই শায়েখ আরিফ বর্তমানে জেএমবির সারোয়ার-তামীম গ্রুপের কেন্দ্রীয় দাওয়াতবিষয়ক শুরা বোর্ডের আমির বলে জানান ইমরান।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে র‌্যাব জানায়, ইমরান আহমেদ বিশেষ করে জেলখানায় বন্দি জেএমবির সদস্যদের পরিবারদের অর্থ সহায়তা করতেন। ইমরান আহমেদ ইতিপূর্বে র‌্যাবের মাওলানা আব্দুল হাকিমকে জেল থেকে ছাড়ানোর জন্য আব্দুল হাকিমের স্ত্রীকে দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন। ইমরান জেএমবির সামরিক শাখার অস্ত্র ও বিষ্ফোরক কেনার ব্যাপারে অর্থ দিয়েছিলেন।
গত ১৬ নভেম্বর র‌্যাবের অভিযানে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে আব্দুল হাকিম ফরিদী ওরফে সুফিয়ানসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা নব্য জেএমবির প্রশিক্ষণ ও অর্থ সমন্বয়কারীর গ্রুপের সদস্য। তাদের কাছ থেকেও ইমরান সম্পর্কে তথ্য পায় র‌্যাব।
ইমরানের গাড়িচালকের নাম শামীম মিয়া (২৯)। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তাদের গ্রেপ্তার করার পর রাতেই নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ইমরানের অফিস ও বাসায় তল্লাশি চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ জঙ্গিবাদী বই, কম্পিউটার ও অন্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। ইমরানকে দীর্ঘদিন ধরে খোঁজা হচ্ছিল। জঙ্গিবাদে যোগ দেওয়ার পর থেকে ইমরান আহমেদ তাঁর অফিস, গার্মেন্ট ও ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে ডা. আসাদুল্লাহ গালিব, জসিম উদ্দিন রাহমানি, জুন্নুন সিকদার এবং আইএস লোগোসংবলিত জঙ্গিবাদী বই সংরক্ষণ করতে শুরু করে।
ইমরান আহমেদের গাড়িচালক শামীম মিয়া সম্পর্কে র‌্যাব জানায়, সে ইমরানের জঙ্গিবাদী কার্যক্রমের সহযোগী। ইমরানের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে সে জঙ্গি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়। সে বিভিন্ন সময় ইমরানের নির্দেশে জেএমবির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের কাছে অর্থ ও পার্সেল পৌঁছে দিত।
সূত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠ অনলাইন

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!