মঠবাড়িয়াশনিবার , ২৬ আগস্ট ২০১৭
  1. আন্তর্জাতিক
  2. ইতিহাস-ঐতিহ্য
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. প্রতিবেদন
  6. ফটো গ্যালারি
  7. বিচিত্র খবর
  8. বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভিডিও গ্যালারি
  11. মঠবাড়িয়ার খবর
  12. মতামত
  13. মুক্তিযুদ্ধ
  14. রাজনৈতিক খবর
  15. শিক্ষাঙ্গন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুই বাংলাদেশি স্বামী নিয়ে বিপাকে মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা

Mathbariaprotidin
আগস্ট ২৬, ২০১৭ ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসে টাঙ্গাইলের যুবক মনিরুলকে বিয়ে করেন মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা বিনতে কামিস। এরপরেই খবর আসে ওই তরুণীর আগে থেকেই আরও এক বাংলাদেশি স্বামী রয়েছেন। এ খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন নতুন স্বামী মনিরুলসহ ওই তরুণী।

জানা যায়, ছয় মাস আগে মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা বিনতে কামিসের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সখীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঈমান আলীর ছেলে ও সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মনিরুলের (১৭)। এরপর তা প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। একপর্যভয়ে জুলিজা শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলে আসেন। ওইদিন বিকালেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মনিরুলের বয়স কম হওয়ায় রাতে স্থানীয় মৌলভী দ্বারা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মামার বাসায় তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রপত্রিকায় খবরও প্রকাশ হয়। সমস্যা শুরু হয় এরপর থেকেই। জুলিজার পূর্বের স্বামী মো. আজগর আলীর নজরে আসে ওই প্রতিবেদন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুলিজার চার সন্তানসহ তাদের পারিবারিক একটি গ্রুপ ছবি ও কাবিননামাসহ বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের কাছে পাঠান তিনি। এ সময় জুলিজার আগের স্বামী মো. আজগর আলী বলেন, ১৯৯৬ সালে জীবিকা নির্বাহের জন্য মালয়েশিয়া চলে আসি। সেখানেই পরিচয় হয় জুলিজার সঙ্গে। ২০০৮ সালে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় আমাদের। তাদের সংসারে চারটি ফুটফুটে সন্তানও রয়েছে। তার বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকার ঝিগাতলায়। সেই সন্তানদের ফেলেই শুক্রবার সে বাংলাদেশে চলে আসে।
মনিরুলের বাবা ঈমান আলী বলেন, মনিরুল বউমাকে নিয়ে সকাল থেকে কোথায় আছে বলতে পারি না। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

মনিরুলের মামা সিরাজুল ইসলাম বলেন, মনিরুল তার বউকে নিয়ে সকালে বাসা থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। তার পর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার ওসি মাকছুদুল আলম বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। [সূত্র : যুগান্তর]

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
error: Content is protected !!