শনিবার , সেপ্টেম্বর ১৯ ২০২০
Breaking News

টেলিভিশন সেটের লাইসেন্স ফি আদায় জোরদারের সুপারিশ

মঠবাড়িয়া প্রতিদিন ডেস্ক : টেলিভিশন সেটের লাইসেন্স করতে হয় তা হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। সেই টেলিভিশন সেটের লাইসেন্স ফি আদায় কার্যক্রম জোরদার করতে চায় সংসদীয় কমিটি। কমিটির মতে, যথাযথ মনিটরিংয়ের আওতায় এনে লাইসেন্স ফি আদায় করা গেলে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আয় বাড়বে।
সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে কমিটিকে প্রতিবেদন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কমিটির বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টেলিভিশন সেটের ওপর লাইসেন্স ফি পুনঃধার্যের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি প্রস্তাব কমিটির কাছে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়। বিক্রেতাদের বিক্রয়ের সময় গ্রাহকদের থেকে দামের সাথে গ্রহণ করে সরকারের সংশ্লিষ্ট কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সরকারের মনিটরিংয়ের অভাবে লাইসেন্স ফি গ্রহণের আইন কার্যকর থাকলেও সেই অর্থে বাস্তবায়ন নেই। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
জানা যায়, আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাতের টেলিভিশনের লাইসেন্স ফি আদায়ে ব্রিটিশ আমলের ‘দ্য ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি অ্যাক্ট, ১৯৩৩’ আইনের অধীনে ‘দ্য টেলিভিশন রিসিভিং অ্যাপারেটাস (পজেশন অ্যান্ড লাইসেন্সিং) রুলস, ১৯৭০ প্রণীত হয়। এই বিধিমালার অধীনে আবাসিক ভিত্তিতে ব্যবহৃত টেলিভিশন ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত টেলিভিশনের লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে টেলিভিশন, ভিসিআর ও স্যাটেলাইট টিভি রিসিভারের ফি নির্ধারণ করে তা আদায় জোরদার করা হয়। এ সময় এক শ্রেণির প্রতারক চক্র আবাসিক টেলিভিশনের মালিকদের বাড়িতে গিয়ে ফি আদায়ের নামে প্রতারণা শুরু করে। পরে বিষয়টি সরকারের নজরে আসায় বার্ষিক ফি আদায়ের এই কার্যক্রমের পরিবর্তে টেলিভিশন কেনার সময় এককালীন তিন বছরের ফি আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সরকারের মনিটরিংয়ের অভাবে এটিও ফলপ্রসূ হয়নি। এদিকে লাইসেন্স ফি আদায় কার্যক্রম জোরদার না হলেও ২০১৪ সালে সরকার আরেক দফায় লাইসেন্স ফি বাড়িয়ে পুনঃনির্ধারণ করে। ওই সময় সরকার আবাসিক ভিত্তিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরন ও পরিমাপের টিভি সেটের পুনঃনির্ধারিত এককালীন আবাসিক টেলিভিশন লাইসেন্স ফি সাদাকালো টিভি ৬০০ টাকা, সাধারণ রঙিন টিভি ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ টাকা, সাধারণ রঙিন টিভি ২২ ইঞ্চি বা তদূর্ধ্ব ১ হাজার ৮০০ টাকা, এলসিডি/এলইডি টিভি ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ টাকা, এলসিডি/এলইডি টিভি ২২ থেকে ৩৬ ইঞ্চি পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০ টাকা এবং এলসিডি/এলইডি টিভি ৩৭ ইঞ্চি বা তদূর্ধ্ব ৩ হাজার টাকা পুনঃনির্ধারণ করে।
কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, সদস্য কাজী কেরামত আলী, আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক), খ. মমতা হেনা লাভলী ও সালমা চৌধুরী অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান অংশ নেন। সূত্র : জাগো নিউজ।

 

Comments

comments

Check Also

করোনা তহবিলে টাকা দেয়া শেরপুরের সেই ভিক্ষুক পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

মঠবাড়িয়া প্রতিদিন ডেস্ক : শেরপুরে কর্মহীনদের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া ভিক্ষুক নজিম উদ্দিন …

করোনার মূল উৎপত্তি কোথায় জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মঠবাড়িয়া প্রতিদিন ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস কোথা থেকে এসেছে তা প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে বিশ্ব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!