,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় বুলবুলের প্রভাবে শিক্ষকের মাছের ঘেরে ব্যপক ক্ষতি «» মঠবাড়িয়ায় অধ্যক্ষকে মামলার তদবির না করার জন্য হুমকিতে থানায় জিডি «» রাজধানীতে অফিসে বসে বাবা দেখলেন সন্তানকে নিষ্ঠুরভাবে মারছে গৃহকর্মী! «» মঠবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার নাম অনুপ্রবেশকারীর তালিকায় : প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণীঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সাহায্য প্রদান «» মঠবাড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের বে-দখলীয় জমি উদ্ধারে সংবাদ সম্মেলন «» ২০ লাখ টাকা পেয়ে ফেরত দিলেন রিকশাচালক «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিএনপির অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় ইউএনও কে সরকারি হাতেম আলী বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’এ ক্ষতিগ্রস্থদের জেলা পরিষদের অর্থ সহায়তা প্রদান

স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে হেঁটে যাওয়া সেই স্বামী এখন বিরাট ধনী!

অনলাইন ডেস্ক : দানা মাঝিকে মনে আছে সবার। বেশিদিনের কথা নয়। মাত্র এক বছর। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে গোটা ভারতে সাড়া ফেলেছিল হতভাগ্য এক স্বামীর মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি।  ওড়িশার কালাহান্ডি জেলার বাসিন্দা দরিদ্র দানা মাঝি স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন সেই সময়ই। দুর্ভাগ্যের সেখানেই শেষ নয়। মৃত স্ত্রীর দেহ সৎকারের জন্য নিজের গ্রামে নিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় ছিল না দরিদ্র দানার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কাকুতি মিনতি করেও কোনও গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারেননি তিনি।

অগত্যা উপায়ান্তর না দেখে স্ত্রীর দেহ একটা মাদুরে মুড়ে কাঁধে নিয়ে তিনি রওনা দেন গ্রামের উদ্দেশে। তার সেই পথ চলার ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। পেছনে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে থাকে তার কিশোরী কন্যা। তবে ৬০ কিমি দূরে অবস্থিত গ্রামের পথ পুরোটা হেঁটে যেতে হয়নি তাকে। ১০ কিমি পথ পেরনোর পরেই স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে যায় জেলা প্রশাসন। শববাহী গাড়ির ব্যবস্থা করে তারা।

একজন মানুষের এই চরম সংগ্রামের কাহিনি শুনে বহু মানুষের হৃদয়ই গলেছিল। তার পর যা হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ভুলেই গেছে তাঁকে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্রে জানা গেল, এখন কেমন আছেন তিনি।

ঠিক এক বছর আগে ২৪ আগস্ট মারা গিয়েছিলেন দানা মাঝির স্ত্রী। জানা যাচ্ছে, সেই কপর্দকহীন মানুষটি এক বছরের মধ্যেই হয়ে গিয়েছেন বিরাট ধনী। আজ তার ব্যাঙ্কে জমা অর্থের পরিমাণ ৩৭ লক্ষ টাকা। তিন মেয়েই ভুবনেশ্বরের স্কুলে ভর্তি হয়েছে।

আসলে গত বছরের নিদারুণ ট্র্যাজেডির পরে বহু মানুষ ও সংস্থা এগিয়ে এসেছে তাকে সাহায্য করতে। বাহরিনের প্রধানমন্ত্রী একাই ৯ লক্ষ টাকার চেক দেন তাকে। পান আরও সাহায্য। ওড়িশা সরকার তাকে ইন্দিরা নিবাস যোজনার অধীনে একটি বাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়। মেয়েদের শিক্ষার সকল দায়িত্ব নেয় কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস। মাস দুই হল নতুন করে বিয়েও করেছেন দানা মাঝি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।

 

0Shares

Comments

comments