,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়া পৌর যুব সমাজের উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» মঠবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে পেটাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য «» মঠবাড়িয়া নিউমার্কেট নিবাসী বজলুর রহমান খানের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দুস্থ্যদের মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় ফসলের ক্ষেতে সৌর শক্তি চালিত আলোক ফাঁদ প্রদর্শণী «» কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন কী? «» সামাজিক দূরত্ব বজায়কালীন মানসিক স্বাস্থ্য «» করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মঠবাড়িয়ার এক যুবকের পরামর্শ «» মঠবাড়িয়ায় জেএসসিতে ৭৪ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ : শীর্ষে কেএম লতীফ ইনস্টিটিউশন «» মঠবাড়িয়ায় তিন মাদকসেবীকে জরিমানা

সালমান-ক্যাটরিনার কণ্ঠে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’

মঠবাড়িয়া প্রতিদিন ডেস্ক : তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষেই এবারের বিপিএলের আসরের নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিবিপিএল)’। খুব স্বাভাবিকভাবেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার অনেকটা জুড়েই ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ আসরের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও রূপকার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শ্রী গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের লেখা কালজয়ী ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে’ গানটি গেয়ে সবার মন জয় করেন ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী সনু নিগাম। তারপর বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আরেক ভারতীয় শিল্পী কৈলাশ খেরও।
আর সবশেষে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দুই মূল আকর্ষণ সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ঠিক আগে দিয়ে ক্যাটরিনা ও সালমানের শেষ দ্বৈত পারফরম্যান্স মঞ্চস্থ হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন। সালমান ও ক্যাটরিনা দুজনই বলেন কোটি বাঙালির প্রাণের স্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। এ সময় পুরো শেরে বাংলায় আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে রব ওঠে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’।

সালমান-ক্যাটরিনার এ শ্রদ্ধা অর্পণের পুরো বিষয়টি স্বচক্ষে দেখেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেরে বাংলার প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ থেকে পুরো অনুষ্ঠানই দেখেছেন তিনি। এ সময় বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনপূর্বক তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করেন সালমান ও ক্যাটরিনা। সালমানের মুখ থেকে শোনা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথাও।
এছাড়া সালমান খান নিজের বাবার কথা রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রাণের কবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। কথা প্রসঙ্গে সালমান জানিয়ে দেন, তার পিতা কাজী নজরুল ইসলামের একনিষ্ঠ ভক্ত এবং তার অনেক কবিতাও পড়েছেন।
সে কারণেই ঢাকা আসার আগে তার বাবা বলেছিলেন, একবার হলেও সালমান যেন কাজী নজরুলের নাম স্মরণ করেন। বাবার কথা রাখতেই নিজের বক্তব্যের শেষাংশে কাজী নজরুল ইসলামের নাম বলেন এবং জানান যে, বাবার মুখে শুনেছেন কাজী নজরুল ইসলাম অনেক বড় কবি।
এ শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপনী পারফরম্যান্স নিয়ে মঞ্চে আসেন সালমান ও ক্যাটরিনা। তাদের পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়েই শেষ হয় প্রায় পাঁচ ঘণ্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সূত্র : জাগো নিউজ।

0Shares

Comments

comments