,

শিরোনাম :

সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা : সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েও প্রভাব খাটিয়ে জোট সরকারের আমলে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার অভিযোগ করেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধারা। রোববার দুপুরে মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর নাম বাদ দিয়ে সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধা বাতিল ও গ্রহণকৃত ভাতা ফেরত দেয়ার দাবি জানানো হয়। তালিকা থেকে ফরাজীর নাম বাদ দেয়া না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন বলে জানান মুক্তিযোদ্ধারা।
পশ্চিমবঙ্গের হাসনাবাদ আমলানী যুব প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের পলিটিক্যাল মটিভেটর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা শাহ আলম দুলাল সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সওগাতুল আলম সগীরের নেতৃত্বে মঠবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের সময় রুস্তম আলী কোনো প্রশিক্ষণে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে এমপি থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
এ ছাড়াও স্থানীয় এমপিকে বারবার দল বদলকারী আদর্শহীন ব্যক্তি আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি ইনডিপেডেন্ট টিভিতে জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানসহ একাধিক গণমাধ্যমে তিনি ৭১-এ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক, ৬৯-এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ও মঠবাড়িয়া ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে যে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন তারও প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ১৯৬৫ সালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হক খান মজনু, ১৯৬৯ সালের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক এমাদুল হক খান, রফিকুল ইসলাম জালাল, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও শহীদ পরিবারের সদস্য ফারুকুজ্জামান প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি এমপি কর্তৃক দায়ের করা দৈনিক সকালের খবরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আজমল হক হেলাল, যুবলীগ নেতা নুরুল আমিন রাসেল ও বশির হোসেনের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার মামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলার নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যারের দাবি জানানো হয়।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

Comments

comments