,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে লাইসেন্স ছাড়া পেট্রল ও এলপি গ্যাস বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা «» মঠবাড়িয়ায় অবরোধকালীন সময় সংশোধনের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু «» মঠবাড়িয়ায় নুসরাত হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত জান্নাতিকে অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলায় নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র নয়নের ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি «» মঠবাড়িয়ায় ইভটেজিং এর দায়ে দপ্তরীর অর্থদন্ড «» নুসরাত হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চেয়ে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» আ: ছত্তার আকনের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

সবচেয়ে প্রাচীন ব্ল্যাক হোলের সন্ধান

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি একটি নতুন ‘ব্ল্যাক হোল’ বা কৃষ্ণ গহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন। বলা হচ্ছে, অতীতের গবেষণায় পাওয়া অন্য সব ব্ল্যাক হোলের তুলনায় এটি সবচেয়ে প্রাচীন। এটি তৈরি হয়েছিল মহাবিশ্ব তৈরির একদম সূচনালগ্নে। এ ব্ল্যাক হোলের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সূচনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

চিলির লাস ক্যাম্পানাসে অবস্থিত মানমন্দির থেকে এ ব্ল্যাক হোলটির সন্ধান নিশ্চিত করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডুয়ার্ডো ব্যানাডোস। মহাবিশ্বের যেটুকু অংশ পৃথিবী থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব, তার ঠিক শেষ সীমায় ব্ল্যাক হোলটির অবস্থান। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। ব্ল্যাক হোলটি সূর্যের চেয়েও ৮০ কোটি গুণ ভারী।

বলা হচ্ছে, ‘বিগ ব্যাং’র পর বড়োজোর ৬৯ কোটি বছর পর এ ব্ল্যাক হোলটি সৃষ্টি হয়েছে। এসময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল বর্তমান বয়সের মাত্র পাঁচ শতাংশ। তখন বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সবে সংগঠিত হতে শুরু করেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এ সময়টার নাম দিয়েছেন ‘অন্ধকার যুগ’।

বিগ ব্যাংয়ের কয়েক কোটি বছর পর অন্ধকার যুগের সূচনা হয়েছিল। তখনও কোনো ছায়াপথ, নক্ষত্র বা সুপারনোভা সৃষ্টি হয়নি। মহাবিশ্বজুড়ে বিরাজ হয়েছিল অবয়বহীন হাইড্রোজেন গ্যাস। কয়েক কোটি বছর এমন পরিস্থিতি বজায় ছিল।

নতুন আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোলটি একটি ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং এর আশেপাশের সব গ্রহ-উপগ্রহ অনেক দ্রুত গ্রাস করে ফেলেছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডুয়ার্ডো ব্যানাডোস বলেন, ‘মহাবিশ্বের বয়স যদি হয় ৫০ বছর, তবে আমরা এর আড়াই বছর বয়সের ছবি দেখছি। বিগ ব্যাংয়ের এতো অল্প সময়ের মধ্যেই কীভাবে একটা ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি হলো, তা আশ্চর্যই বলতে হবে’।

ব্যানাডোস আরও জানান, মহাবিশ্বের ইতিহাসের এতো প্রাচীন কোনো বস্তুর সন্ধান পেতে অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চালাতে হয়েছে।

আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোলটি মহাবিশ্বের সূচনালগ্ন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানাতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Comments

comments