,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে লাইসেন্স ছাড়া পেট্রল ও এলপি গ্যাস বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা «» মঠবাড়িয়ায় অবরোধকালীন সময় সংশোধনের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু «» মঠবাড়িয়ায় নুসরাত হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত জান্নাতিকে অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলায় নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র নয়নের ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি «» মঠবাড়িয়ায় ইভটেজিং এর দায়ে দপ্তরীর অর্থদন্ড «» নুসরাত হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চেয়ে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» আ: ছত্তার আকনের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

মুক্তিযোদ্ধারা পাবেন বিজয় দিবসের ভাতা

ডেস্ক রিপোর্ট : জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যেককে বিজয় দিবসে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ ভাতা দেবে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই ভাতা চালুর ঘোষণা দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানী ভাতা ও উৎসব ভাতার পাশাপাশি বার্ষিক দুই হাজার টাকা করে বাংলা নববর্ষ ভাতা চালুর বিষয়ও বাজেট বক্তৃতায় তুলে ধরেন মুহিত। অসচ্ছল যুদ্ধাহত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যা অথবা নাতি-নাতনিদের সহায়তা দেওয়ার জন্য বাজেটে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথাও বলেন তিনি।

মুহিত বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখে উন্নীত এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ১২ লাখ ৬৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৪ লাখ করার প্রস্তাব করেছেন। এছাড়া অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা সোয়া ৮ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ করার প্রস্তাবও করেন তিনি।

প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির হার বাড়িয়ে প্রাথমিক স্তরে ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৭০০ টাকা হতে ৮৫০ টাকায় বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতাভোগীর সংখ্যা ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার করার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপবৃত্তির হার প্রাথমিক স্তরে ৩০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায়, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা এবং উচ্চতর স্তরে ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন মুহিত।

বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬৪ হাজার এবং এদের মধ্যে বিশেষ ভাতা ভোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার এবং শিক্ষা উপবৃত্তির সংখ্যা ১১ হাজার থেকে ১৯ হাজারে উন্নীত করার কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হূদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজারে উন্নীত, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার, দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা এবং ভাতার মেয়াদ ২ বছরের পরিবর্তে ৩ বছর নির্ধারণ করে ভাতাভোগীর সংখ্যা ৬ লাখ থেকে ৭ লাখে উন্নীতের বিষয়ও বাজেট বক্তৃতায় তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তার আওতায় মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা হতে ৮০০ টাকায় বৃদ্ধি এবং ভাতা প্রদানের মেয়াদ ২ বছরের পরিবর্তে ৩ বছর নির্ধারণ এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লাখ থেকে আড়াই লাখে উন্নীতের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার প্রতিটিতে ২০ হাজার হিসেবে মোট ৪০ হাজার বৃদ্ধি করে ভিজিডি কার্যক্রমের উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৪০ হাজার করার প্রস্তাব করেন মুহিত।

সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Comments

comments