,

শিরোনাম :

মঠবাড়িয়া পৌরসভার দুই কিলোমিটার রাস্তায় জনদুর্ভোগ চরমে

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ১ম শ্রেণির পৌরসভার দুই কিলোমিটার রাস্তার বেহালদশা। শহরের প্রাণকেন্দ্রের এ দুই কিলোমিটার রাস্তায় খানাখন্দের জন্য জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একদিকে জেলা শহর থেকে মঠবাড়িয়া পৌরসভার প্রবেশ পথ বহেরাতলা অপর দিকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রবেশ পথ মঠবাড়িয়া থানার সম্মুখ সড়ক। গত চার মাস পূর্বে পিরোজপুর সওজ বহেরাতলা থেকে থানাপাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি সম্প্রসারণ ও সংস্কারের নামে খোড়াখুড়ি করায় দুই কিলোমিটার রাস্তার প্রায় ২০ স্থানে ছোট-বড় খানাখন্দ বা গর্তের সৃষ্টি হয়। যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
এ জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শহরের প্রায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ চলাচল করে। বিশেষ করে মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী কে.এম লতিফ ইনষ্টিটিউশন, সরকারি হাতেম আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি কলেজ, ৫৬নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, থানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আঃ ওহাব মহিলা আলিম মাদ্রাসা, মহিউদ্দিন আহমেদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ, প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী মটরসাইকেল ও মাহেন্দ্রের চাকায় গর্তের পানি ছিটে উঠে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও পথচারীদের জামা-কাপড় নষ্ট হওয়া নিত্যদিনের সঙ্গী। মাঝে মাঝে বড় বড় গর্তগুলোতে ভাংগা ইট অথবা সুরকি দিলেও তা দুই/এক দিনের মধ্যে গুরো হয়ে বৃষ্টির পানিতে মিলে যায়।
মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিক্ষক সামসুল আলম জানান, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে আমাদের শহরে আসতে হয়। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। যার ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং এতে করে শিক্ষাসহ সব ধরণের কার্যক্রম দারুণভাবে ব্যহত হচ্ছে।
এদিকে উক্ত রাস্তা সড়ক ও জনপদের দাবী করে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলন করে পৌর মেয়র ও আ’লীগ রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌস বলেন, মঠবাড়িয়া পৌরসভাধীন বহেরাতলা বেইলী ব্রিজ থেকে পাথরঘাটা বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত ১৬‘শ ৬০ মিটার রাস্তা সওজ এর আওতাধিন। চরখালী-পাথরঘাটা সড়কের প্রসস্তকরণ ও কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন সময় সওজ এর কর্মকর্তারা চলমান কাজ পরিদর্শনকালে পৌর শহরের সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংঙ্কা প্রকাশ করেন। যে কারনে প্রায় ৮ মাস আগে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশক্রমে কার্পেটিংয়ের নকশা পরিবর্তন করে আরসিসি করার সিদ্ধান্ত নেন। যা ইতোমধ্যে অনুমোদন হয়েছে এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ কাজ সমাপ্ত হবে। পৌর মেয়র তার বক্তব্যে একটি স্বার্থন্বেষী মহল এ সড়কটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার ও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে নাজুক সড়ক দিয়ে চলাচলে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

 

Comments

comments