,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়া পৌর যুব সমাজের উদ্যোগে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ «» মঠবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে পেটাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য «» মঠবাড়িয়া নিউমার্কেট নিবাসী বজলুর রহমান খানের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দুস্থ্যদের মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় ফসলের ক্ষেতে সৌর শক্তি চালিত আলোক ফাঁদ প্রদর্শণী «» কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন কী? «» সামাজিক দূরত্ব বজায়কালীন মানসিক স্বাস্থ্য «» করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মঠবাড়িয়ার এক যুবকের পরামর্শ «» মঠবাড়িয়ায় জেএসসিতে ৭৪ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ : শীর্ষে কেএম লতীফ ইনস্টিটিউশন «» মঠবাড়িয়ায় তিন মাদকসেবীকে জরিমানা

মঠবাড়িয়ায় সুদের টাকা পরিশোধ করেও হামলার শিকার গৃহবধূ!

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চড়া সুদসহ টাকা পরিশোধ করেও প্রতিপক্ষের হামলায় জেসমিন বেগম (৪০) নামে এক নারী মারাত্মক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর স্বামী বেল্লাল হাওলাদার বাদী হয়ে মঙ্গলবার মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একই এলাকার মৃত ছায়েদ মৃধার ছেলে নাসির উদ্দিন ও তার স্ত্রী রোজি বেগমের নামে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারিক হাকিম আল ফয়সাল মামলাটি আমলে নিয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসিকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মিরুখালী বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী বেল্লাল হাওলাদারের নগদ টাকার প্রায়োজন হওয়ায় ৫ মাস আগে নাসির উদ্দিনের স্ত্রী রোজি বেগমের কাছ থেকে একটি রেফ স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে ১০% সুদে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। ওই টাকা গ্রহণের সময় রোজি বেগম অগ্রিম ৪ হাজার টাকা সুদ কেটে রেখে ৩৬ হাজার টাকা প্রদান করে। এরপর নিয়মিতভাবে প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা সুদ দিয়ে আসছিলেন বেল্লাল। গত রোববার সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করে ও বিভিন্ন সাক্ষ্যের উপস্থিতিতে বেল্লাল হাওলাদার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে রোজি বেগমের হাতে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করে ওই লিখিত রেফ স্ট্যাম্পটি ফেরত চাইলে বিকেলে তার স্বামী নাসির উদ্দিনের মাইকের দোকানে গিয়ে আনার জন্য বলে। সে অনুযায়ী বিকেলে জেসমিন বেগম মাইকের দোকানে গিয়ে রেফ স্ট্যাম্পটি ফেরত চাইলে নাসির আরও ৪ হাজার টাকা সুদ দিতে হবে বলে জেসমিনকে চাপ দেয়। এ সময় উভয়ের বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নাসির ও তার স্ত্রী রোজি বেগম জেসমিনকে দোকানের মধ্যে তুলে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে নাসির দোকান আটকানো লাট দিয়ে তার পেটে একাধিকবার আঘাত করে। রোজি বেগম ওই অবস্থায় লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায় ও জেসমিনের সাথে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এ সময় বিবস্ত্র হওয়া জেসমিনের ডাকচিৎকারে স্থানীয় বাজারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন জাকির মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

0Shares

Comments

comments