,

শিরোনাম :
«» ২০ লাখ টাকা পেয়ে ফেরত দিলেন রিকশাচালক «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিএনপির অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় ইউএনও কে সরকারি হাতেম আলী বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’এ ক্ষতিগ্রস্থদের জেলা পরিষদের অর্থ সহায়তা প্রদান «» বুলবুলের চেয়েও বেশি ভয়ানক হবে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’ «» শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে রাঙার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» ঘূর্ণিঝড় বুলবুল : মঠবাড়িয়ায় ৩ শতাধিক জেলে পরিবার ৪ দিন ধরে অভুক্ত! «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ «» মঠবাড়িয়ায় সড়ক ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ «» মঠবাড়িয়ায় বুলবুলের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মঠবাড়িয়ায় প্রতারণা মামলায় নারী পুলিশ সদস্য ও তার বাবা কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় মিমি আক্তার (২০) নামে এক নারী পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ২৯ আগস্ট মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-ফয়সাল ওই নারী পুলিশ সদস্য মিমি আক্তারের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। এ সময় তার বাবা মান্নান সিকদারকেও কারাগারে পাঠানো হয়। মিমি আক্তার ঢাকার মিল ব্যারাক পুলিশ লাইনে কর্মরত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোড় গ্রামের নুরুল ইসলাম ফরাজীর ছেলে ফিরোজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর প্রবাসী। সিঙ্গাপুর থাকা অবস্থায় ফিরোজের বাবা-মা ছেলের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে শুরু করেন। সেই সূত্র ধরে কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী গ্রামের মান্নান সিকদারের মেয়ে মিমি আক্তারকে পছন্দ করেন এবং উভয়পক্ষ পারিবারিকভাবে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার পরিয়ে তাদের এনগেজমেন্ট সম্পন্ন হয়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হবে বলে কথা হয়।


এরপর উভয় পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ছেলেমেয়ের মধ্যে মোবাইলে যোগাযোগ হয়। মেয়েকে নতুন মোবাইল ফোন দেওয়া হয়। মেয়ের পড়াশোনার খরচ ছেলে বহন করে। এ ছাড়া চাকরির কথা বলেও ছেলের কাছ থেকে নেওয়া হয়। মেয়ে ও মেয়ের মা-বাবা ছেলের কাছ থেকে মালামালসহ চার লক্ষাধিক টাকা নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে মিমির পুলিশে চাকরি হয়। ফিরোজ দেশে এসে মিমিকে বিয়ে করতে চাইলে সে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। পরবর্তীতে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার, বিদেশ থেকে পাটানো টাকা ফেরত চাইলে মেয়ে ও মেয়ের বাবা-মা দিতে অস্বীকার করে এবং মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেয়।


এ ঘটনায় ফিরোজের বাবা নুরুল ইসলাম ফরাজী বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিমি ও তার মা-বাবাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত মিমি ও তার বাবা মান্নান সিকদারকে জেল হাজতে পাঠান এবং মিমির মা খাদিজা বেগমের জামিন মঞ্জুর করেন।

 

0Shares

Comments

comments