,

শিরোনাম :

মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ট্রলি চলককে হত্যার অভিযোগ! অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলছে, আটক-২

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী খাল থেকে গত মঙ্গলবার ৪ জুন উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলছে। নিহতের নাম ধলু হোসেন হাওলাাদার (৩৫)। নিহতের বাবা বৃহস্পতিবার মঠবাড়িয়া থানায় এসে লাশের ছবি দেখে লাশ শনাক্ত করেন। তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার অযধ্যা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের ছেলে। সে পেশায় একজন ট্রলি চালক ছিলেন। তার স্ত্রী ও তিনটি সন্তান রয়েছে।

এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ছোট মাছুয়া গ্রাম থেকে রাশেদা বেগম (৩৫) ও রিয়াজ শরীফ (৩২) নােমর দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃত রাশেদা বেগম উপজেলার ছোট মাছুয়া গ্রামের আফজাল শরীফের স্ত্রী ও রিয়াজ শরীফ একই গ্রামের জাফর শরীফের ছেলে।

নিহতের বাবা আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে ধলু ট্রলি চালানোর সূত্র ধরে মঠবাড়িয়ার তুষখালীতে মালামাল পরিবহন করতো। গত রোববার পাওনা টাকা আনার কথা বলে অযধ্যার নিজ বাড়ি থেকে ধলু মঠবাড়িয়ার তুষখালী আসে। এরপর থেকে ধলু নিখোঁজ ছিলো। নিহত ধলুর বাবা আনোয়ার আরো বলেন আমার ছেলে পাওনা টাকা চইতে গেলে প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেয় হয়েছে।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্লাহ্ জানান, এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে রাশেদা ও রিয়াজ নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে নিহত ধলু গত রোববার তাদের বাড়িতে আসলে রাতে ফাঁদপাতা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। পরে তারা লাশ ঘরে রেখে সোমবার রাতে খালে ফেলে দেয়। আটককৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

উল্ল্যেখ্য, মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ গত (৪ জুন ২০১৯) মঙ্গলবার দুপুরে তুষখালীর একটি খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। লাশের মুখমন্ডলে কাটা জখমের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। লাশের ময়না তদন্ত শেষে কোনো পরিচয় না পেয়ে লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে পিরোজপুর আনঞ্জুমান মফিদুলে দাফন করা হয়।

 

Comments

comments