,

শিরোনাম :

মঠবাড়িয়ার ১৫ স্থানে কোরবানির পশুর হাট : অধিকাংশই ক্রেতাশূন্য

শাকিল আহমেদ : মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উত্সব পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। ঈদ-উল-আযহাকে সামনের রেখে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও মঠবাড়িয়ার পৌর এলাকাসহ ১১ ইউনিয়নের ১৫টি স্থানে বসেছে পশুর হাট। হাটগুলো হলো মঠবাড়িয়া পৌর শহরের দক্ষিণ বন্দর, ধানীসাফা ইউনিয়নের সাফা হাই স্কুল মাঠ ও আলগী পাতাকাটা বাজার, মিরুখালী ইউনিয়নের মিরুখালী বাজার ও ভগীরথপুর বাজার, দাউদখালী ইউনিয়নের রাজারহাট বাজার ও দাউদখালী নতুন হাট, টিকিকাটা ইউনিয়নের কুমিরমারা বাজার ও বয়াতীর হাট, বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়নের বেতমোড় বাজার ও কালীরহাট, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের আমড়াগাছিয়া বাজার ও মধ্য সোনাখালী বাজার, সাপলেজা ইউনিয়নের আলিশ্বার মোড় এবং বড়মাছুয়া ইউনিয়নের বড়মাছুয়া বালুর মাঠ।

এ বছর ভারতীয় পশুর আমদানি কম থাকায় প্রতিটি বাজারেই দেশীয় গরুর সংখ্যা বেশি লক্ষ করা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রচুর সংখ্যক দেশি গরু নিয়ে বিক্রেতারা বাজারে আসছেন। তবে এ পর্যন্ত অধিকাংশ হাট ক্রেতাশূন্য বলে দাবি করেছেন ইজারাদাররা। অনেক ক্রেতা মূল্য যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন বাজার ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

মিরুখালী বাজারের গরু ব্যবসায়ী পিন্টু মৃধা জানান, দেশি গরুর গ্রাহক বেশি। এ বাজারে দেশীয় গরু সর্বনিম্ন ৪২ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ বিশ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড়মাছুয়ার ইজারাদার মোঃ আঃ ছালাম হাওলাদার জানান, এবছর এখন পর্যন্ত বড়মাছুয়ায় কোরবানির জন্য গরু বেচাকেনা খুবই কম। বিক্রেতারা বাজারে গরু নিয়ে এলেও ক্রেতা না থাকার কারণে তাদের গরু নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়।

একই ধরনের অভিযোগ বেতমোড় বাজারের ইজারাদার মোঃ মাসুদ ও ভগীরথপুর বাজারের ইজারাদার মোঃ বারেক মল্লিকের। তারা জানান, বাজারে বিক্রেতারা গরু নিয়ে এলেও ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

মধ্য সোনাখালী বাজারের ইজারাদার মোঃ ইসমাইল খান জানান, পশুর হাটে ক্রেতা সমাগম সন্তোষজনক থাকলেও অনেকেই আসেন গরুর দাম যাচাইয়ের জন্য।

এদিকে দালাল, ছিনতাইকারী ও প্রতারকচক্রের ফাঁদ থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন এজন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঠবাড়িয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ঈদবাজার উপলক্ষে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন এজন্য গোয়েন্দা ও পুলিশের বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে।

 

Comments

comments