,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে লাইসেন্স ছাড়া পেট্রল ও এলপি গ্যাস বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা «» মঠবাড়িয়ায় অবরোধকালীন সময় সংশোধনের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু «» মঠবাড়িয়ায় নুসরাত হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত জান্নাতিকে অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলায় নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র নয়নের ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি «» মঠবাড়িয়ায় ইভটেজিং এর দায়ে দপ্তরীর অর্থদন্ড «» নুসরাত হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চেয়ে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» আ: ছত্তার আকনের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

ভাইয়ের ধর্ষণ করার অপরাধের শাস্তি হিসেবে বোনকে প্রকাশ্যে ধর্ষণ

ডেস্ক রিপোর্ট : ভাইয়ের ধর্ষণ করার অপরাধের শাস্তি হিসেবে বোনকে ধর্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গ্রামের সালিশীতে। এই ঘটনায় জড়িত কমপক্ষে ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পাকিস্তানের মুলতানে এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আল্লাহ বক্স এএফপিকে বলেন, গ্রাম্য সালিশী জিরগায় ১৬ বছরের ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিশোরীর ভাই ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছিল। ভাইয়ের অপরাধে বোনকে এই শাস্তি দেওয়া হয় ওই সালিশ বৈঠকে।

এই মাসের শুরুতে এক ব্যক্তি সালিশীতে অভিযোগ করে, তার চাচাত ভাই ১২ বছরের বোনকে ধর্ষণ করেছে। এরপর সালিশী জিরগা অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বোনকে ধর্ষণ করার নির্দেশ দেয়।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার খবরে বলা হয়, ১৬ বছরের ওই কিশোরীকে সালিশীতে সবার সামনে এনে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের সময় কিশোরীর মা-বাবাও ঘটনাস্থলে ছিলেন। স্থানীয় থানায় পরে ধর্ষণের শিকার ওই দুই মেয়ের মা অভিযোগ দায়ের করেন। শারীরিক পরীক্ষায় দুই মেয়েই ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পুলিশের আরেক কর্মকর্তা আহসান ইউনাস বিবিসি উর্দুকে জানান, প্রথম যে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়, তার বয়স ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। প্রতিশোধ নিতে পরে যে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়, তার বয়স ১৬ অথবা ১৭ বছর। তিনি জানান, ২৫ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ নিয়েছে। সালিশী বৈঠকে যে সবার সামনে ১৬ বছরের মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে, সে এখনও ধরা পড়েনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ধর্ষণ করার নির্দেশদানকারী জিরগায় স্থানীয় নেতারা ছিল। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জিরগায় আসলে দুই পরিবারের সদস্যরা মিলে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তানের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় নেতাদের নিয়ে জিরগা বা গ্রাম্য সালিশী হয়। তবে এটি অবৈধ। ধারাবাহিকভাবে বিতর্কিত বেশ কয়েকটি নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে জিরগার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে রয়েছে অনার কিলিং ও প্রতিশোধমূলক ধর্ষণ।

২০০২ সালে জিরগা মুখতার মাই নামের ২৮ বছরের এক নারীকে গণধর্ষণের নির্দেশ দেয়। তার ১২ বছরের ভাইয়ের সঙ্গে বয়স্ক এক নারীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার কারণে এমন শাস্তি দেওয়া হয় মুখতারকে। মুখতার এখন সোচ্চার নারী অধিকারকর্মী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। [সূত্র : প্রথম আলো]

ছবির ক্যাপশন : এই বাড়িতে ধর্ষণ করা হয়েছিল এক মেয়েকে। মুলতানের স্থানীয় এক ব্যক্তি বাড়িটি দেখিয়ে দিচ্ছেন। ছবি : এএফপি।

 

Comments

comments