,

শিরোনাম :
«» পিরোজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি.এম সরফরাজ «» মঠবাড়িয়ায় নারী ভোটারদের উদ্ভুদ্ধ করতে যুব মহিলা লীগের কর্মী সভা «» প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে মঠবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের শোভাযাত্রা ও মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ার বড় মাছুয়ায় যুব মহিলা লীগের কর্মী সভা «» মুক্তিযোদ্ধা দেলায়ার হোসেন বাদলের (গোলকি বাদল) ইন্তেকাল «» আশরাফুর রহমান জেলায় শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত «» মঠবাড়িয়ায় শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণ «» মঠবাড়িয়ায় কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ ॥ বিষ পানে আত্মহত্যা ॥ ৭ বছর পর ধর্ষক গ্রেফতার «» মঠবাড়িয়ায় মা ইলিশ শিকারের দায়ে এক জেলের কারাদন্ড «» মঠবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসক স্বপ্নজয়ীদের বাইসাইকেল প্রদান করলেন

বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকা গণর্ধষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক : বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণর্ধষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সুমন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে উক্ত মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতারকৃত সুমন বিশ্বাসের কাছ থেকে ওই শিক্ষিকা এবং শিক্ষিকার স্বামীর কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া দুইটি মোবাইলও উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. জুয়েল, ৬ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান রবিউল এবং ২ নম্বর আসামি মো. রাসেলের বাবা আব্দুল হাকিম হাওলাদার ও ৪ নম্বর আসামী মো. সুমন কাজীর বাবা কুদ্দুস কাজীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার বলেন, মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি সুমন ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে আসামীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মামলার বাদী (শিক্ষিকা) এবং তার স্বামীর ছিনতাই হওয়া দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, আদালতে সুমন বিশ্বাসের ব্যাপারে রিমান্ড আবেদন করা হবে এবং বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারে জোর চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, বরগুনার বেতাগীতে স্বামীকে আটকে রেখে শ্রেণিকক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সংখ্যালঘু পরিবারের সহকারী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ১৭ আগস্ট মামলা দায়ের করা হয়ে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেতাগী থানায় মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা। সূত্র : মানবকণ্ঠ।

 

Comments

comments