,

শিরোনাম :
«» বিয়ের ১০ দিন পর নববধূকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে «» মঠবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত «» মঠবাড়িয়ার ২টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী «» মঠবাড়িয়ায় শ্রমিকলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী «» গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী মঠবাড়িয়ার ২টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন «» মঠবাড়িয়ায় ১৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী অলি আটক «» জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করার অপরাধে মঠবাড়িয়ায় একজনের কারাদণ্ড «» মঠবাড়িয়ায় আবরার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ছাত্রদলের মিছিল «» মঠবাড়িয়ায় ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার «» মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সিসি ক্যামেরার আওতায়

বেতন ভাতা না দেয়ায় ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার হাজী আবদুর রাজ্জাক সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিক হাজী আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ৯লাখ ৮০ হাজার টাকা বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ না করায় আদালতে মামলা  করেছে ওই ক্লিনিকের সাবেক ম্যানেজার ইব্রাহীম খলিল। গত বৃহস্পতিবার ওই ম্যানেজার ইব্রাহীম খলিল বাদী হয়ে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রাজ্জাককে আসামী করে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমানকে সরেজমিন অনুসন্ধান এবং  সাক্ষ্য প্রমান গ্রহন পুর্বক পূর্নাঙ্গ  প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই ক্লিনিকের মালিক আবদুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন যাবত কুয়েত প্রবাসী। তিনি ২০১৩ সালে কুয়েতে থাকাকালীন মাসিক ২৫ হাজার টাকা বেতনে তার সহকারী হিসেবে উপজেলার ফুলঝুড়ি গ্রামের মৃত তুজাম্বর আলীর পুত্র ইব্রাহিম খলিলকে নিয়োগ দেন। এরপর থেকে ইব্রাহিম খলিল ২০১৭ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত কুয়েত প্রবাসী আঃ রাজ্জাকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ইব্রাহীম খলিল অভিযোগ করেন, ক্লিনিক মালিক আবদুর রাজ্জাক অশিক্ষিত লোক হওয়ায় নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তার সমস্ত জমিজমা দেখাশুনার দায়িত্বও আমাকে দেন এবং আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর উপজেলার সাফা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন জমি ক্রয় করে হাজী আবদুর রাজ্জাক সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টি সেন্টারের বিল্ডিং নির্মাণ ও ক্লিনিকের যন্ত্রপাতি ক্রয়সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু ক্লিনিক মালিক আঃ রাজ্জাক ২০১৩ সালের  জানুয়ারী মাস থেকে ২০১৭ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত  কোন বেতন ভাতা পরিশোধ না করে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে।
এ ব্যাপরে ক্লিনিকের মালিক হাজী আবদুর রাজ্জাক কুয়েতে তার কর্মস্থালে থাকায় তার সাথে সরাসরি কথা না বলা গেলেও মুঠোফোনে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খলিলকে আমি প্রতি মাসে  আমি দশ হাজার টাকা করে বেতন পরিশোধ করেছি। তিনি আরো বলেন আমি তার কাছে প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা পাব এবং এনিয়ে থানায় মামলা করলে সে আমাকে হয়রানী করার জন্য পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন।

 

Comments

comments