,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় নির্বাচনী সংঘর্ষে ২ প্রার্থীর ৮ কর্মী আহত «» মঠবাড়িয়ায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার «» মঠবাড়িয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাইদীর মুক্তি চেয়ে ধানের শীষে ভোট চাওয়ায় মাইক প্রচারম্যান আটক «» মঠবাড়িয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত «» মঠবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৬ নেতা বহিষ্কৃত «» তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেনের ইন্তেকাল «» স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুর রহমানের মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালিত «» ইশতেহার আসছে : অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ গড়বে আওয়ামী লীগ «» মঠবাড়িয়ায় মার্কা পেয়েই মহাজোট ও আ’লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মিছিল

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

মঠবাড়িয়া প্রতিদিন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী টাইম ২০১৮ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার টাইমে প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও রয়েছেন এ তালিকায়।

চলতি বছর নিয়ে টাইম ১৫ বারের মতো বিশ্বের একশ’ প্রভাবশালীর তালিকা তৈরি করেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কার্যকলাপ, উদ্ভাবন ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টাইম’ প্রতিবছর একশ’ জনকে সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বেছে নেয়। এ তালিকার ব্যাপারে টাইমের সম্পাদক বলেছেন, এই একশ’জন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী এবং পুরুষ। তবে তারা সবচেয়ে ক্ষমতাবান নন।

টাইমের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রোফাইল লিখেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি। তিনি লিখেছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালে; যখন তিনি বাংলাদেশে সামরিক শাসন অবসানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। আমাদের সর্বশেষ দেখা হয় ২০০৮ সালে; যখন দেশটিতে তিনি আবারো সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন। একই বছরে তিনি নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই পরিচালক বলেন, তার বাবা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন; উত্তরাধিকারী হিসেবে শেখ হাসিনা লড়াই করতে কখনো ভয় পাননি। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে; তখন তিনি এই রোহিঙ্গা ঢলকে মানবিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলি লিখেছেন, অতীতে কখনোই রোহিঙ্গাদের ব্যাপক স্রোত বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তিনি জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুখ ফিরিয়ে নেননি। এজন্য শেখ হাসিনা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

 

Comments

comments