,

শিরোনাম :
«» ২০ লাখ টাকা পেয়ে ফেরত দিলেন রিকশাচালক «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিএনপির অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় ইউএনও কে সরকারি হাতেম আলী বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’এ ক্ষতিগ্রস্থদের জেলা পরিষদের অর্থ সহায়তা প্রদান «» বুলবুলের চেয়েও বেশি ভয়ানক হবে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’ «» শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে রাঙার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» ঘূর্ণিঝড় বুলবুল : মঠবাড়িয়ায় ৩ শতাধিক জেলে পরিবার ৪ দিন ধরে অভুক্ত! «» মঠবাড়িয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ «» মঠবাড়িয়ায় সড়ক ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ «» মঠবাড়িয়ায় বুলবুলের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম প্রধান কারণ গোয়েন্দা ব্যর্থতা

নূর হোসাইন মোল্লা : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম প্রধান করাণ ছিল গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা। বঙ্গবন্ধুর সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরে চলেছিল। ঢাকা ব্রিগেড কমান্ডার কর্নেল সাফায়াত জামিল মেজর খন্দকার আবদুর রশিদের নিকট থেকে বিষয়টি জেনেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এবং সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাকে অবহিত করেননি। গোয়েন্দারা জানলেও তারা গুরুত্ব দেননি। ক্যান্টনমেন্ট এবং বঙ্গবন্ধুর বাড়ির আশপাশে সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দাদের নজর রাখার কথা। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গোয়েন্দা নজরদারি ছিল অতি জরুরি।

ওই সময়ে ক্যান্টনমেন্ট বা বঙ্গবন্ধুর বাড়ি এবং বাড়ির আশপাশে গোয়েন্দারা কর্মরত ছিলেন না। বর্তমান বিমানবন্দর সংলগ্ন বালুরঘাট (ক্যান্টনমেন্ট থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরবর্তী) থেকে বিদ্রোহী সৈন্যরা যখন ট্যাংক ও কামানসহ বঙ্গবন্ধুর বাড়ির দিকে অগ্রসর হচ্ছিল তখনও গোয়েন্দা সংস্থা জানলেও সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হয়তো এ হত্যাকাণ্ড ঠেকানো সম্ভব হতো। উল্লেখ্য, নৈশ প্যারেডের সময় ব্রিগেড কমান্ডারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু তিনি উপস্থিত ছিলেন না। বঙ্গবন্ধু আক্রান্ত হয়ে নিজেই ফোন করে তাঁর ওপর আক্রমণের সংবাদ সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে অবহিত করেন। পরিতাপের বিষয়, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ছাড়া আর কেউ তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেননি। বিদ্রোহীরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। যদিও ওই মুহূর্তে প্রতিরোধ করা হলে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করা সম্ভব হতো না। তবে খবর পাওয়ার পরপরই বিদ্রোহ দমনের প্রচেষ্টা করা উচিত ছিল।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু তথা রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব ছিল সামরিক সচিব ও নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার। ওই সময়ে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন উৎস থেকে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জেনেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বা তিনি নির্দেশ দিলেও গোয়েন্দারা তা কার্যকর করেননি।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, মোবাইল-০১৭৩০৯৩৫৮৮৭

 

0Shares

Comments

comments