,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে লাইসেন্স ছাড়া পেট্রল ও এলপি গ্যাস বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা «» মঠবাড়িয়ায় অবরোধকালীন সময় সংশোধনের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু «» মঠবাড়িয়ায় নুসরাত হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত জান্নাতিকে অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলায় নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র নয়নের ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি «» মঠবাড়িয়ায় ইভটেজিং এর দায়ে দপ্তরীর অর্থদন্ড «» নুসরাত হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চেয়ে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» আ: ছত্তার আকনের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

পৃথিবীর বাইরেও আরও ১০ পৃথিবী!

ডেস্ক রিপোর্ট : সম্প্রতি সৌরজগতের বাইরে আরও ২১৯টি গ্রহের সন্ধান পেলেন নাসার জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কেপলার স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এই গ্রহগুলির উপস্থিতি। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এদের মধ্যে ১০টি বিশেষ গ্রহও রয়েছে, যেখানে প্রাণের সন্ধান মিলতে পারে।
জানা গেছে, এই গ্রহগুলির পৃষ্ঠদেশ পাথুরে হলেও সেখানে প্রাণ সঞ্চারের উপাদান বর্তমান। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। জল্পনা বাড়ছে বৈজ্ঞানিকমহলেও। বলা বাহুল্য, গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেলেও সেখানে আমাদের মতো জীবন রয়েছে কিনা, সে উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সাম্প্রতিক আবিষ্কারটির পরে সেই সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল বলেই মনে করছে বিজ্ঞানমহল।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক আবিষ্কারের ফলে আমাদের চেনা সৌরজগতের বাইরে এই নিয়ে মোট ৫০টি গ্রহের অস্তিত্ব আবিষ্কার হল, যেখানে প্রাণ সঞ্চারের উপাদান উপস্থিত। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিজ্ঞান সম্মেলনে বিজ্ঞানী সুসান থমসন জানান, ‘মহাকাশে পৃখিবীর মতো আরও কতগুলি গ্রহের অস্তিত্ব রয়েছে, তার উত্তর পাওয়া গিয়েছে তৈরি করা এক তালিকার থেকে। ’
নাসার কেপলার প্রোগ্রাম সায়েন্টিস্ট মারিও পেরেজ জানিয়েছেন, আমাদের মত পৃথিবী থাকলেও থাকতে পারে। তবে জোর দিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। নতুন আবিষ্কৃত অপেক্ষাকৃত ছোট গ্রহগুলির পৃষ্ঠ পাথুরে, রুক্ষ এবং আকারে আমাদের পৃথিবী থেকে ১.৭৫ গুণ বড়। তিন গুণ থেকে চার গুণ বড় গ্রহগুলি অবশ্য বায়বীয়, গ্যাসের পরিমাণ এগুলির বায়ুমণ্ডলে অনেক বেশি।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন।

Comments

comments