,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় গৃহপরিচারিকাকে গণধর্ষণ : থানায় মামলা «» মঠবাড়িয়ায় গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক «» জালিয়াতি করে ইবতেদায়ী শিক্ষা বৃত্তি লাভের অভিযোগ : তদন্তে দুদক «» মঠবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল «» মঠবাড়িয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের মত বিনিময় সভা «» মঠবাড়িয়ায় ঘর “অক্ষত” তবুও ঘর পোড়ানো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ «» প্রেমের ফাদে ফেলে কলেজ ছাত্রীর ধর্ষণের ভিডিও ধারন : কলেজ ছাত্র গ্রেফতার «» মঠবাড়িয়ায় গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক «» মঠবাড়িয়ায় গ্রীষ্মকালীন ফুটবলে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশন চ্যাম্পিয়ন «» মঠবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

পৃথিবীর বাইরেও আরও ১০ পৃথিবী!

ডেস্ক রিপোর্ট : সম্প্রতি সৌরজগতের বাইরে আরও ২১৯টি গ্রহের সন্ধান পেলেন নাসার জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কেপলার স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে এই গ্রহগুলির উপস্থিতি। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এদের মধ্যে ১০টি বিশেষ গ্রহও রয়েছে, যেখানে প্রাণের সন্ধান মিলতে পারে।
জানা গেছে, এই গ্রহগুলির পৃষ্ঠদেশ পাথুরে হলেও সেখানে প্রাণ সঞ্চারের উপাদান বর্তমান। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। জল্পনা বাড়ছে বৈজ্ঞানিকমহলেও। বলা বাহুল্য, গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেলেও সেখানে আমাদের মতো জীবন রয়েছে কিনা, সে উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সাম্প্রতিক আবিষ্কারটির পরে সেই সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল বলেই মনে করছে বিজ্ঞানমহল।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক আবিষ্কারের ফলে আমাদের চেনা সৌরজগতের বাইরে এই নিয়ে মোট ৫০টি গ্রহের অস্তিত্ব আবিষ্কার হল, যেখানে প্রাণ সঞ্চারের উপাদান উপস্থিত। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিজ্ঞান সম্মেলনে বিজ্ঞানী সুসান থমসন জানান, ‘মহাকাশে পৃখিবীর মতো আরও কতগুলি গ্রহের অস্তিত্ব রয়েছে, তার উত্তর পাওয়া গিয়েছে তৈরি করা এক তালিকার থেকে। ’
নাসার কেপলার প্রোগ্রাম সায়েন্টিস্ট মারিও পেরেজ জানিয়েছেন, আমাদের মত পৃথিবী থাকলেও থাকতে পারে। তবে জোর দিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। নতুন আবিষ্কৃত অপেক্ষাকৃত ছোট গ্রহগুলির পৃষ্ঠ পাথুরে, রুক্ষ এবং আকারে আমাদের পৃথিবী থেকে ১.৭৫ গুণ বড়। তিন গুণ থেকে চার গুণ বড় গ্রহগুলি অবশ্য বায়বীয়, গ্যাসের পরিমাণ এগুলির বায়ুমণ্ডলে অনেক বেশি।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন।

Comments

comments