,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় গৃহপরিচারিকাকে গণধর্ষণ : থানায় মামলা «» মঠবাড়িয়ায় গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক «» জালিয়াতি করে ইবতেদায়ী শিক্ষা বৃত্তি লাভের অভিযোগ : তদন্তে দুদক «» মঠবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল «» মঠবাড়িয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের মত বিনিময় সভা «» মঠবাড়িয়ায় ঘর “অক্ষত” তবুও ঘর পোড়ানো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ «» প্রেমের ফাদে ফেলে কলেজ ছাত্রীর ধর্ষণের ভিডিও ধারন : কলেজ ছাত্র গ্রেফতার «» মঠবাড়িয়ায় গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক «» মঠবাড়িয়ায় গ্রীষ্মকালীন ফুটবলে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশন চ্যাম্পিয়ন «» মঠবাড়িয়ায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

নেই দম ফেলার ফুরসত কামারদের!

মো.শাহাদাৎ হোসেন: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে কামারদের ব্যস্ততা। দা, বটি, চাপাতি, ছুরি বানাতে ব্যাস্ত সময় পার করছে নেই দম ফেলার ফুরসত। দিন রাত ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের কামারপট্টি এখন টুং টাং শব্দে মুখরিত।

কামাররা জানান, ঈদুল আজহা এলেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে ঈদ ছাড়া বাকি দিনগুলোতে তাদের তেমন একটা ব্যস্ততা থাকে না বললেই চলে। এ মাস আমাদের পুরো বছরের রোজগার করতে হয়। বছরের অন্যান্য সময় তাদের দিনে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা আয় হয়। আবার কোনো দিন রোজগার ছাড়াই কাটাতে হয় দিন। সে তুলনায় এখন আয় কয়েকগুণ বেশি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কেউ তৈরি করছে দা, কেউ বা তৈরি করছে চাপাতি আবার কেউ কেউ তৈরি করছে ছুরি। আবার কেউ পুরাতনগুলো ধার দিচ্ছেন এবং নতুনগুলো সারিবদ্ধভাবে দোকানের সামনে সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রির উদ্দেশ্যে।

কামার সুনিল কর্মকার জানান, ঈদ উপলক্ষে কামারদের ব্যস্ততা বেড়েছে। কাজের চাপে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। তবে এ কাজে কয়লার প্রচুর চাহিদা থাকায় বর্তমানে কয়লা পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া দামও বেশি। পাশাপাশি লোহার দামও বেশি। সরকার সুলভ মূল্যে কাঁচামাল কেনার নীতিমালাসহ আর্থিক সহযোগিতায় ঋণের ব্যবস্থা করে দিলে ব্যবসায় কিছুটা সফলতার মুখ দেখা যেতো।

মঠবাড়িয়া দক্ষিন বন্দরের কামার চিত্ত কর্মকার জানান, নতুন চাপাতি ৮শ’ টাকা থেকে ১৫শ’ টাকা, দা ৪শ’ টাকা থেকে ৯শ’ টাকা,বটি ৫০০শ’ ১হাজার টাকা, চাকু ১শ’ টাকা থেকে ১শ’ ২০ টাকা, খুন্তি ৪০ টাকা, হাতা ৫০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় বসিন্দা আ.মালেক জানান, নতুনের চাইতে তারা পুরানো দা, ছুরি ধার দিয়ে নতুন করে তোলার কাজে বেশি আগ্রহ নিয়ে এখন ভিড় জমাচ্ছেন কামারের দোকানে।

Comments

comments