,

শিরোনাম :
«» মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে লাইসেন্স ছাড়া পেট্রল ও এলপি গ্যাস বিক্রি, ব্যবসায়ীর জরিমানা «» মঠবাড়িয়ায় অবরোধকালীন সময় সংশোধনের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু «» মঠবাড়িয়ায় নুসরাত হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন «» মঠবাড়িয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত জান্নাতিকে অর্থ সহায়তা প্রদান «» মঠবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলায় নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র নয়নের ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি «» মঠবাড়িয়ায় ইভটেজিং এর দায়ে দপ্তরীর অর্থদন্ড «» নুসরাত হত্যার সর্বোচ্চ বিচার চেয়ে মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন «» আ: ছত্তার আকনের ইন্তেকাল «» মঠবাড়িয়ায় মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

দুই বাংলাদেশি স্বামী নিয়ে বিপাকে মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা

অনলাইন ডেস্ক : ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসে টাঙ্গাইলের যুবক মনিরুলকে বিয়ে করেন মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা বিনতে কামিস। এরপরেই খবর আসে ওই তরুণীর আগে থেকেই আরও এক বাংলাদেশি স্বামী রয়েছেন। এ খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন নতুন স্বামী মনিরুলসহ ওই তরুণী।

জানা যায়, ছয় মাস আগে মালয়েশিয়ান তরুণী জুলিজা বিনতে কামিসের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সখীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঈমান আলীর ছেলে ও সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মনিরুলের (১৭)। এরপর তা প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। একপর্যভয়ে জুলিজা শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলে আসেন। ওইদিন বিকালেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মনিরুলের বয়স কম হওয়ায় রাতে স্থানীয় মৌলভী দ্বারা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মামার বাসায় তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রপত্রিকায় খবরও প্রকাশ হয়। সমস্যা শুরু হয় এরপর থেকেই। জুলিজার পূর্বের স্বামী মো. আজগর আলীর নজরে আসে ওই প্রতিবেদন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুলিজার চার সন্তানসহ তাদের পারিবারিক একটি গ্রুপ ছবি ও কাবিননামাসহ বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের কাছে পাঠান তিনি। এ সময় জুলিজার আগের স্বামী মো. আজগর আলী বলেন, ১৯৯৬ সালে জীবিকা নির্বাহের জন্য মালয়েশিয়া চলে আসি। সেখানেই পরিচয় হয় জুলিজার সঙ্গে। ২০০৮ সালে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় আমাদের। তাদের সংসারে চারটি ফুটফুটে সন্তানও রয়েছে। তার বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকার ঝিগাতলায়। সেই সন্তানদের ফেলেই শুক্রবার সে বাংলাদেশে চলে আসে।
মনিরুলের বাবা ঈমান আলী বলেন, মনিরুল বউমাকে নিয়ে সকাল থেকে কোথায় আছে বলতে পারি না। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

মনিরুলের মামা সিরাজুল ইসলাম বলেন, মনিরুল তার বউকে নিয়ে সকালে বাসা থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। তার পর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার ওসি মাকছুদুল আলম বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। [সূত্র : যুগান্তর]

 

Comments

comments