,

শিরোনাম :

তুষখালীতে পাল্টাপাল্টি হামলা ॥ ভাংচুর ॥ ওসি সহ আহত ২॥ আটক ১২

স্টাফ রিপোর্টার : হাবিব হত্যাকান্ডের জের ধরে আজ শনিবার সন্ধ্যায় তুষখালী লঞ্চঘাটে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম তারিকুল ইসলাম (৪২) ও ব্যবসায়ী সলিম পঞ্চায়েত (৪০) আহত হন। ব্যবসায়ী সলিম পঞ্চায়েত বুড়িরচর গ্রামের হাবিব হত্যা মামলার আসামী ও লঞ্চঘাটের ইজারাদার হিমু তালুকদারের জামাতা। আহত সলিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অপর দিকে ওসি কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
ব্যবসায়ী সলিম পঞ্চায়েত জানান, দুপুরে তিনি লঞ্চঘাট থেকে ফেরার পথে নিহত হাবিব তালুকদারের পুত্র দুবাই প্রবাসী মানিক, টুকু তালুকদারের পুত্র সোহেল ও নিহতের ভাগিনা মামুন তাকে (সলিম) মারধর করে। এ সময় আমি পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করি। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পার্শ্ববর্তী হরিণপালা গ্রামের শাহ আলমের পুত্র সুমন আমাকে রক্ষা করতে এলে তাকেও ধাওয়া করে।
নিহতের বোন শেফালী বেগম জানান, দুপুরের ঘটনা আমি জানিনা। তবে হরিণপালা গ্রামের শাহ আলমের পুত্র সুমনের নেতৃত্বে ৭০-৮০ জন দলবলসহ সন্ধ্যায় তুষখালী লঞ্চঘাটে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে শ্রমিকলীগ অফিস ও বেল্লাল জমাদ্দারের হোটেলসহ দুটি তালাবদ্ধ দোকানঘর ভাংচুর করে।
মঠবাড়িয়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাজহারুল আমিন জানান, অন্য মামলার তদন্তের কারণে থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে এবং দুজনকে আটক করে। এঘটনায় হামলাকারীরা ওসির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। এতে ওসি আহত হন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সুমনসহ ১২জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম তারিকুল ইসলাম আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত এবং সরকারী কাজে বাধা দানের অভিযোগ এনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

0Shares

Comments

comments