,

শিরোনাম :

কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু ॥ আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেফতার-৩

স্টাফ রিপোর্টার : মাদ্রাসা ছাত্রীকে মোবাইল ফোন দেয়ার সময় মঙ্গলবার সকালে কিশোর আরিফুল ইসলাম বাবু (১৭) মারধরের শিকার হয়ে বিষপানে মৃত্যুতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ উঠেছে। খেতাছিড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র নিহত কিশোর আরিফুলের লাশ পুলিশ উদ্ধার করে আজ বুধবার ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এঘটনায় নিহতের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ৮জন এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ২/৩জনকে আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই ঝাটিবুনিয়া গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র মাইনুল ইসলাম (২২), আবু হানিফের পুত্র ইউসুফ (৩০) ও পূর্ব সাপলেজা গ্রামের মৃত অমল চন্দ্র বিশ্বাসের পুত্র মলয় বিশ্বাস (৩২)কে গ্রেফতার করে।
মামলা সূত্রে জানাযায়, কিশোর আরিফুল ইসলাম বাবু মঙ্গলবার সকালে তার নিকট আত্মীয় (বেয়াইন) মাদ্রসার ছাত্রী বার্ষিক পরীক্ষা দিতে যাওয়া পথে ঝাটিবুনিয়া চৌরাস্তায় বসে একটি মোবাইল ফোন উপহার দিতে যায়। এসময় ওই কিশোরী মোবাইল ফোনটি গ্রহণ করতে রাজি হয়নি। বিষয়টি স্থানীয় জহির, মাসুম, মাইনুলসহ আসামীরা দেখতে পেয়ে কিশোর আরিফুলকে আটকে এলোপাথারী মারধর করে স্থানীয় মাসুম দফাদারের কাছে হস্তান্তর করে। শারিরীক নির্যাতন ও মানসিক কস্টে খালা হেমোতাজের বাড়িতে বিকেলে ঘরে রক্ষিত চালের পোকা নিধনের ট্যাবলেট খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা আশংকাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এম্বুলেন্সযোগে নেওয়ার পথে আরিফুল মারা যায়।
মঠবাড়িয়া ওসি কেএম তারিকুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে জানান, ওই কিশোরকে মারধরের পর সে ক্ষোভে, অভিমানে বিষ পান করে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা ৮জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করলে ৩জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

Comments

comments